রবিবার, ০৫ Jul ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
মরক্কোকে হারিয়ে কাতার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনাল নিশ্চিত করল ফ্রান্স। আফ্রিকান দেশটিকে ২-০ গোলে হারিয়েছে দেশমের দল। গোল করেছেন হার্নান্দেজ ও মুয়ানি। ২০ বছর পর টানা দুই বিশ্বকাপের ফাইনালে এমবাপে-গ্রিজম্যানরা। ১৮ ডিসেম্বর ফরাসিদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা।
আফ্রিকান রূপকথা থামিয়ে, আবারও জয়োল্লাস ফ্রান্সের, পৌঁছে গেল ফাইনালে। ২০০২ সালে ব্রাজিলের পর, প্রথম দল হিসেবে টানা দ্বিতীয়বারের মত বিশ্বকাপে শিরোপা নির্ধারণী লড়াই ফরাসিদের।
অ্যাটলাস সিংহদের অপ্রতিরোধ্য রক্ষণ দুর্গ ভাঙতে মাত্র পাঁচ মিনিট সময় নেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। গ্রিজম্যান-এমবাপের চেষ্টা ব্যর্থ হলে, দারণ এক ফিনিশিংয়ে দলকে লিড এনে দেন থিও হার্নান্দেজ। ১৯৫৮ সালের পর বিশ্বকাপের কোন সেমি ফাইনালে এটিই সবচেয়ে দ্রুততম গোল।
ফরাসি গতির কাছে বারবার হোচঁট খাওয়া মরক্কো পিছিয়ে পড়েও লড়ে গেছে সমান তালে। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষ ডেরায় ভয় দেখালেও, একজন ফিনিশারের অভাব পুরো ম্যাচ জুড়েই মিস করেছেন কোচ রেগরাগি। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটেও ভাগ্য সঙ্গী হয়নি, হাকিম জিয়েচের বাইসাইকেল শট আটকে যায় বারপোস্টে।
দ্বিতীয়ার্ধে, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের কঠিন পরীক্ষা নিয়েছে আফ্রিকান দেশটি। মুহুর্মুহু আক্রমণে ভরকে দিয়েছে এমবাপে-গ্রিজম্যানদের। আট বারের চেষ্টায়ও ভাঙতে পারেনি দেশমের ডিফেন্স।
শেষ দিকে দেশমের কৌশলকে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি। দেম্বেলের বদলি, কোলো মুয়ানি মাঠে নেমেই করলেন, দেশের হয়ে প্রথম গোল। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ফ্রান্স।
যোগ করা অতিরিক্ত সময়েও শেষ চেষ্টা চালিয়েছে রেগরাগির শিষ্যরা। গোলকিপার লরিসের পর দলের এবার ফরাসিদের ত্রাতা কুন্দে, ফিরিয়েছেন নিশ্চিত গোল।
আফ্রিকানদের দীর্ঘ যাত্রা শেষ হল সেমি ফাইনালেই। হাকিমি-জিয়াশদের চোখে-মুখে হতাশা ভর করলেও, বড় মঞ্চের এই অভিজ্ঞতা আজীবন মনে রাখবে ফুটবল বিশ্ব। আর চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের সামনে এখন আর্জেন্টিনা বাধা, মেসিদের টপকাতে পারলেই টানা দুই শিরোপা ঘরে তুলবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।